ঢাকা
খ্রিস্টাব্দ

ওয়ান-ইলেভেন ও বন্দর ইস্যুতে বিতর্ক

নজরদারিতে সাবেক উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন, গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা

দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ
ঢাকা
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১.৪২ পূর্বাহ্ন

আপডেট : সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১.৪২ পূর্বাহ্ন


নিউজটি দেখেছেনঃ 341359 জন

  • নিউজটি দেখেছেনঃ 341359 জন
নজরদারিতে সাবেক উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন, গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন-কে ঘিরে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক সূত্রের দাবি, তিনি বর্তমানে গোয়েন্দা নজরদারিতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে যেকোনো সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।


সূত্রমতে, ২০০৭-০৮ সালের ওয়ান-ইলেভেন-পরবর্তী সময়ে নির্বাচন কমিশনে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ, রাজনৈতিক দল ভাঙার অপচেষ্টা এবং অতিরিক্ত ব্যালট পেপার সংক্রান্ত অভিযোগগুলো এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে তার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


সংশ্লিষ্ট সময়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ড. এ টি এম শামসুল হুদা। একই কমিশনে আরও দায়িত্ব পালন করেন মুহাম্মদ ছহুল হোসাইনসহ অন্যান্য সদস্যরা। সে সময়ের নির্বাচন প্রক্রিয়া ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো নিয়েও নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।


অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নৌপরিবহন খাতে দায়িত্ব পালনকালেও সাখাওয়াত হোসেনের নাম বিভিন্ন বিতর্কে উঠে আসে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বেসরকারি প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ নিয়ে তদন্তের প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। এ ক্ষেত্রে তার পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হতে পারে।


এদিকে সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন সাবেক সামরিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের পর এই বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলো অতীতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পথে এগোচ্ছে।


তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এত বড় অভিযোগের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, নিরপেক্ষ যাচাই এবং আইনি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী সাব্যস্ত না করার নীতিও অনুসরণ করা উচিত বলে তারা মত দিয়েছেন।



নিউজটি পোস্ট করেছেনঃ এলএসবিডি/এনকেডি

কমেন্ট বক্স
বাংলাদেশ | জাতীয়
দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | দৈনিক লাল সবুজ বাংলাদেশ
ঢাকা
সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১.৪২ পূর্বাহ্ন
আপডেট : সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১.৪২ পূর্বাহ্ন