ঢাকা
খ্রিস্টাব্দ

টিআইবি / ২০২৫ সালে দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ১৩তম / সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছে এক ধাপ
২০২৫ সালে দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ১৩তম

-- দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫’ প্রকাশ করেছে টিআইবি।

বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১৩তম। ১৮২টি দেশের মধ্যে ১০০-এর স্কেলে বাংলাদেশের স্কোর ২৪, যা বৈশ্বিক গড় স্কোরের (৪২) চেয়ে অনেক নিচে। অবশ্য গত বছরের চেয়ে এবার বাংলাদেশের ১ পয়েন্ট উন্নতি হয়েছে। তবে সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছে এক ধাপ । ২০২৪ সালে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪তম। আর ২০২৩ সালে এই অবস্থান ছিল ১০ম।

বিস্তারিত
টিআইবি / ২০২৫ সালে দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ১৩তম / সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছে এক ধাপ
২০২৫ সালে দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ১৩তম

-- দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৫’ প্রকাশ করেছে টিআইবি।

বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ১৩তম। ১৮২টি দেশের মধ্যে ১০০-এর স্কেলে বাংলাদেশের স্কোর ২৪, যা বৈশ্বিক গড় স্কোরের (৪২) চেয়ে অনেক নিচে। অবশ্য গত বছরের চেয়ে এবার বাংলাদেশের ১ পয়েন্ট উন্নতি হয়েছে। তবে সামগ্রিক র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছে এক ধাপ । ২০২৪ সালে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪তম। আর ২০২৩ সালে এই অবস্থান ছিল ১০ম।

বিস্তারিত

খারিজ হয়ে যাওয়া একটি হত্যা মামলা নতুন করে দায়ের করে একজন সাংবাদিককে গায়েবিভাবে আসামি করার ঘটনায় সাংবাদিক সমাজে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় নয় বছর আগের একটি হত্যা মামলায় পরশুরামের সাংবাদিক আবু ইউসুফ মিন্টুকে নতুন করে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া আমলী আদালত সংশ্লিষ্ট হত্যা মামলাটি খারিজ করে দেন। তবে খারিজের প্রায় আট বছর পর গত ১৭ ডিসেম্বর নিহতের খালাত ভাই পরিচয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মো. জাহাঙ্গীর আলম পুনরায় আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ড. হাসান মাহমুদকে প্রধান আসামি করে মোট ১০২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬ নম্বর ক্রমিকে ফেনীর পরশুরামের সাংবাদিক আবু ইউসুফ মিন্টুর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অথচ ঘটনার সময় ও ঘটনার স্থান—উভয়ের সঙ্গেই সাংবাদিক মিন্টুর কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করা হয়েছে।

ঘটনাস্থলের বাইরে থাকা একজন সাংবাদিককে উদ্দেশ্যমূলকভাবে গায়েবি আসামি করায় ফেনী জেলার সাংবাদিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ ও হয়রানির অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

সাংবাদিক আবু ইউসুফ মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করে আসছেন। তিনি ২০০০ সালের শুরুতে দৈনিক প্রথম আলোর কন্ট্রিবিউটর হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং পরে পরশুরাম-ফেনী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। টানা তের বছরেরও বেশি সময় প্রথম আলোর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার পর একে, যায়যায়দিন, আজকের পত্রিকা, দৈনিক আমাদের সময়, ইংরেজি দৈনিক নিউ এজে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। প্রায় ২৭ বছর ধরে তিনি পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতারা বলছেন, মিথ্যা মামলা দায়ের করা একটি ভয়ংকর অপরাধ। এ ধরনের হয়রানি অব্যাহত থাকলে তা কেবল একজন সাংবাদিক নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্যই ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। তারা অবিলম্বে গায়েবি আসামির তালিকা থেকে সাংবাদিক মিন্টুর নাম প্রত্যাহার এবং মামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সাংবাদিক সমাজ মনে করছে, আজ যদি একজন সাংবাদিককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়, কাল তা সবার জন্যই অশনিসংকেত হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই ফেনীসহ সারাদেশের সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধভাবে এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) একসঙ্গে তিন বোন ৯ তলা ভবন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তারা সবাই নাবালিকা এবং গাজিয়াবাদের একটি আবাসিক সোসাইটির বাসিন্দা। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বোন তিনজন বিশিকা (১৬), প্রাচী (১৪) ও পাখি (১২) আত্মহত্যা করার আগে ঘরটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ করে রাখে। আশপাশের বাসিন্দারা ঘুমে থাকায় তারা ঘটনাটি ততক্ষণ বুঝতে পারেননি। পরে তিন বোনের নিচে পড়ার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। পরিবার যখন দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে, তখন তারা ইতিমধ্যেই লাফিয়ে পড়েছিল।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন বোন এক কোরিয়ান গেমের নেশায় ছিল, যা তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহের অন্যতম কারণ ছিল। করোনাকালে তারা অনলাইনে গেমের প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে, নিয়মিত স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। তারা তাদের গেমের প্রিয় চরিত্রের মতো নিজেদের কোরিয়ান নামও ব্যবহার করত।

গেম আসক্তির কারণে তাদের আচরণে এক ধরনের অদ্ভুত ঘনিষ্ঠতা ছিল, খাওয়া, ঘুমানো, গোসল সবকিছুই তারা একসঙ্গে করত। বাড়ি থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে, যেখানে কান্নার ইমোজি দিয়ে লেখা ছিল, ‘দুঃখিত, বাবা’।

এই ঘটনাটি সামাজিক সচেতনতার জন্য একটি শোকাবহ সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানে তরুণ প্রজন্মের মানসিক চাপ ও গেম আসক্তির প্রভাবের গুরুত্ব পুনরায় আলোচিত হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্রমেই উত্তাপ বাড়ছে। প্রচার-প্রচারণা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সেই উত্তেজনা এখন রূপ নিয়েছে সহিংসতায়। জনসভা, গণসংযোগ ও নির্বাচনী কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।



তফসিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশে চারটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডসহ অন্তত ১৪৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। শেরপুর, গাজীপুর ও ময়মনসিংহে প্রাণহানির ঘটনাগুলো জনমনে গভীর আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্যমতে, এসব সহিংসতার বড় অংশই ঘটছে প্রতিদ্বন্দ্বী ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে।



শেরপুরে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে প্রাণহানি:



গত ২৮ জানুয়ারি শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হন।



একই দিন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এছাড়া গত মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।



গাজীপুরে প্রার্থীর ওপর হত্যাচেষ্টার অভিযোগ:



গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে গাজীপুর-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আলী নাছের খানকে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টা ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই ঘটনায় এনসিপির গাজীপুর জেলা সদস্যসচিব আল আমিন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।



এদিকে তফসিল ঘোষণার মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।



নির্বাচনী সহিংসতায় এখন পর্যন্ত নিহত চারজন হলেন—



(১) ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক- শরিফ ওসমান হাদি (ঢাকা, পল্টন), (২) জামায়াতে ইসলামীর নেতা- মাওলানা রেজাউল করিম (শেরপুর), (৩) জাসাস নেতা- ফরিদ সরকার (গাজীপুর, শ্রীপুর), (৪) স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক- মো. নজরুল ইসলাম (ময়মনসিংহ, ধোবাউড়া),



সহিংসতার বিস্তৃতি ও পরিসংখ্যান-



আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদরদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২৫টি জেলা ও তিনটি মহানগরে এই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। সবচেয়ে সংঘাতপ্রবণ জেলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর।



পরিসংখ্যান অনুযায়ী— প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে ৫৫টি, প্রার্থীর ওপর হামলা হয়েছে ৬টি, ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির সংখ্যা ১১টি, প্রচারে বাধা- ১৭টি, নির্বাচনী অফিসে হামলা ও অগ্নিসংযোগ- ৮টি, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার- ২টি, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা- ১টি, অবরোধ ও বিক্ষোভ ১০টি, অন্যান্য ঘটনা- ২৪টি, এসব নিয়েমোট ১৪৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে দেশে।



কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, হোমনা ও কুমিল্লা সদরে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও প্রার্থীর বহরে হামলার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। লক্ষ্মীপুরেও চার দফা সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও কক্সবাজারসহ অন্তত ১৫টি জেলায় উত্তেজনা চরমে।



বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা-



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন,  “নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসবে, সহিংসতার মাত্রা তত বাড়বে। বিশেষ করে ‘টার্গেট কিলিং’ ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের ঘিরে সংঘাতের ঝুঁকি বেশি। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।”



অন্যদিকে পুলিশের সাবেক আইজিপি মোহাম্মদ নুরল হুদা মনে করেন, পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। তার ভাষায়, “গোয়েন্দা তথ্য ও আগাম খবর সংগ্রহের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও বেশি অ্যালার্ট থাকতে হবে।”



আইএসপিআর জানায়, গত ১১ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ১,৫০৭ জনকে গ্রেপ্তার, ১৫৩টি অস্ত্র ও ১,৮৩৪টি গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি। যৌথ বাহিনীর টহল ও অভিযান চলছে নিয়মিত। 



এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “নির্বাচনী মাঠে কাউকেই আইন ভাঙতে দেওয়া হবে না। বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িতদের কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।”


ভালোবাসা যে ভাষা, ধর্ম ও দেশের সীমানা মানে না—তারই এক জীবন্ত উদাহরণ নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার বড়চাপা ইউনিয়নের বাসিন্দা সুমি ও জার্মান নাগরিক মাইক, যিনি বর্তমানে ওমর ফারুক নামে পরিচিত।


২০১৯ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। ভিন্ন দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতির হলেও ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে বন্ধন, বিশ্বাস ও ভালোবাসা। সে সময় মাইক ছিলেন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। তবে সুমির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং ইসলামের শান্তি, মানবিকতা ও জীবনদর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখেন ওমর ফারুক—যা তার জীবনের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।


২০২০ সালে উভয় পরিবারের সম্মতিতে সুমি ও ওমর ফারুক বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হন। ভালোবাসা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে শুরু হয় তাদের দাম্পত্য জীবন। বর্তমানে তাদের সংসারে রয়েছে চার বছর বয়সী এক সন্তান। ছোট্ট এই পরিবারটি কাটাচ্ছে শান্ত, সুখী ও পরিপূর্ণ জীবন।


দাম্পত্য জীবন ও বাংলাদেশে বসবাস নিয়ে ওমর ফারুক বলেন, “বাংলাদেশ আমাকে শুধু একটি দেশ দেয়নি, দিয়েছে এক নতুন পরিচয় ও নতুন জীবন।”


জার্মানির নাগরিক হয়েও বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সবুজ পরিবেশ, গ্রামীণ জীবনের সরলতা এবং মানুষের আন্তরিকতায় তিনি মুগ্ধ। দেশীয় খাবার—ভাত, মাছ, ডালসহ নানা বাঙালি রান্না তার কাছে বিশেষ প্রিয় হয়ে উঠেছে। এ দেশের মাটি ও মানুষের ভালোবাসা তার হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।


অন্যদিকে সুমি বলেন, “ভালোবাসা যদি সত্য হয়, তাহলে ধর্ম, দেশ কিংবা সংস্কৃতি কোনো বাধা হতে পারে না।”


সুমি ও ওমর ফারুকের এই জীবনকথা প্রমাণ করে—ভালোবাসা, মানবিকতা ও পারস্পরিক বিশ্বাসই পারে গড়ে তুলতে একটি সুন্দর, শান্তিময় ও স্থিতিশীল পরিবার।

ফেসবুকে আমরা

ভিডিও গ্যালারী

আরো ভিডিও দেখুন

 

 

সর্বশেষ প্রকাশিত সংবাদ আরো খবর